নিজস্ব প্রতিবেদক:
নির্বাচনী প্রচারণার বক্তব্য কর্তন করে বিএনপির এক কর্মী ফেসবুকে প্রচারে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের হারাগাছ মেট্রো পলিটন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে হারাগাছ মেট্রোপলিটন থানায় আখতার হোসেন উপস্থিত হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে দায়ের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিং কালে আখতার হোসেন বলেন নির্বাচনে প্রচারণার ক্ষেত্রে যেটি সত্য তা আমি প্রকাশ করি। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় সম্প্রতি চার দিন আগে বিএনপির একজন কর্মী মোঃ রনক পুরো ভিডিও থেকে কিছু অংশ কর্তন করে তার ফেসবুকে প্রচার করেন।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে হারাগাছ থেকে এমপি হয়েছে এখানকার মহাজনরা । বিশেষত হারাগাছের জন্য তারা তেমন কিছু করেনি। এখানে যে দুর্ভোগ গুলো আছে। তাদের স্যানেটিশনের অপর্যাপ্ততা। নোংরা
ব্যবস্থাপনা এবং মানুষের কর্মের মজুরি প্রাপ্তির একটি নিশ্চয়তা না থাকা। এই বিষয়গুলোকে মেনশন করে আমি একটি বক্তব্য প্রদান করি। সেখানে এখানকার যারা মহাজান আছেন যারা এমপি ছিলেন। তারা যে আসলে এখানে কিছুই করেনি। এখানে তারা অকর্মার মত দায়িত্ব পালন করেছেন সে কথাটি আমি আমার বক্তব্যে ফুটিয়ে তুলি। বিএনপির একজন কর্মী আমার পুরো বক্তব্য আপলোড না করে ছোট্ট একটি অংশ কাট পিস করে আপলোড করে। যেখানে হারা গাছের সকল জনগণকে ওই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে হারাগাছের জনগণকে অকর্ম হিসেবে সাব্যস্ত করে। যেটি সর্বোপরি একটা মিথ্যা। সেই মিথ্যা দিয়ে হারাগাছে জনগণকে ক্ষিপ্ত করে তুলেছে। তারা আসলে শাপলা কলি মার্কাকে ভোটদানে বিরত করেছে। এই কাটপিস বক্তব্যের মাধ্যমে আমাদের নিরাপত্তার ঝুঁকি হিসেবে কাজ করছে। এই বক্তব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করে জনগণকে উসকে দেওয়া কার্যক্রমে প্রচলিত হচ্ছে। নির্বাচন আচরণবিধি সেটা বাংলাদেশের যে পেনাল কোড আছে একই সাথে সাইবার সেফটির বিষয়ে যে আইন গুলো আছে সেগুলোর ব্যাথায় তৈরি করেছে। সে বিষয়টাকে আমরা আইনগত প্রতিকারে আমরা হারাগাছ থানায় এসেছি। এই বিষয়টি আমরা লিখিত আকারে হারাগাছ থানায় জানিয়েছি।
এ বিষয়ে হারাগাছ থানার অফিসার ইনচার্জ অশোক চৌহান বলেন শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী আখতার হোসেন লিখিত আকারে তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিএনপির এককর্মীর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দিয়েছে। আমরা তদন্ত সাপেক্ষে এবং উদ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নেব।