তারাগঞ্জে পিছিয়ে হত্যা মামলায় আরো দুইজন গ্রেফতার
তারাগঞ্জ ( রংপুর) প্রতিনিধি:
রংপুরে তারাগঞ্জ উপজেলায় শ্বশুর জামাতা হত্যা মামলায় আরো দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বিকালে চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানা এলাকা থেকে মোহাম্মদ আলী কে র্যাবের একটি বিশেষ টিম ও সোমবার রাতে পুলিশ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের বুড়িরহাট কুটিপাড়া থেকে শাহাজাহান ইসলামকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেন পুলিশ। মোহাম্মদ আলী বুড়িরহাট এলাকার মোবারক হোসেনের ছেলে ও শাহাজাহান হোসেন সয়ার ইউনিয়নের কুটিপাড়া এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ ই আগস্ট শনিবার রা ৮ টার দিকে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বালুয়া থেকে ভ্যান চালিয়ে ভাগ্নি জামাতা প্রদীপ দাস উপজেলার ফায়ার ইউনিয়নের কাজিরহাট এলাকায় আসেন।আচ্ছা ইউনিয়নের ঘনিরামপুর ডাঙ্গাপাড়া রুপলালের বাড়িতে আসার কথা থাকায় দিক ভুলে যান। পরে শ্বশুর রুপলাল কে মোবাইলে কাজিরহাট এলাকায় তাকে নিয়ে আসার জন্য যেতে বলেন।খবর পেয়ে রূপলাল জামাতা প্রদীপ দাসকে তার বাড়িতে নিয়ে আসার জন্য কাজীর হাটে যান। পরে জামাতা ও শশুর ওই ভ্যানে করেই বাড়িতে ফিরছিলেন। এ সময় বটতলী নামক স্থানে পৌঁছালে স্থানীয় কয়েকজন তাদের চোর সন্দেহে আটক করেন। এসময় তাদের দুজনকে তোর সন্দে মারধর করলে ঘটনাস্থালে রুপলাল দাস মারা যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় জামাতা প্রদীপ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলে ঐদিন ভোরেহাসপাতালের কর্তব্য চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহত রূপলালের স্ত্রী ভারতী দাস তারাগঞ্জ থানায় অজ্ঞতনামা ৭০০ জন বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ চার জনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওসি ( তদন্ত) রফিকুল ইসলাম ৫ দিনের রিমান্ড। আবেদন করেন। আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন । তারাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম এ ফারুক জানান, হত্যা মামলায় হোসেন সহ পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে র্যাবের একটি টিম চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড এলাকা থেকে মোহাম্মদ আলী নামের একজনকে আটক করেছেন বলে থানায় ম্যাসেজ দেয়ায় সেখানে পুলিশ ফোস পাঠানো হয়েছে।