নাগেশ্বরীতে মাথার খুলি বিহীন অস্বাভাবিক আকৃতির শিশুর জন্ম
নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
নাগেশ্বরীতে জস্ম নিয়েছে মাথার খুলি বিহীন অস্বাভাবিক আকৃতির একটি কন্যা শিশু। ভুমিষ্ট হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে মারা গেছে সে। দ্রুত শিশুটির মৃতদেহ নিয়ে ক্লিনিক ছেড়ে চলে গেছে তার পরিবার। এ ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়।
জনতা ক্লিনিক মালিক মতিয়ার রহমান জানান. ২ মার্চ সোমবার বিকেল ৩টায় প্রসব ব্যাথা নিয়ে ক্লিনিকে আসেন অন্ত:স্বত্তা গৃহবধু উপজেলার বেরুবাড়ীর নুরুল ইসলামের স্ত্রী ৫ সন্তানের জননী জায়েদা বেগম (৩৫)। তাকে অপারেশন টেবিলে নেয়া হয় বিকেল ৫টায়। সিজারিয়ান অপারেশন করান ডা: জান্নাতুল ফেরদৌসি রুমা। জন্ম নেয় মাথার খুলি বিহীন অস্বাভাবিক আকৃতির একটি কন্যা শিশু। চোখ দুটো ছিল অনেক বড় বড়। জন্মের কিছুক্ষণ পরে মারা যায় শিশুটি। লোকজন জানাজানি হওয়ার আগে দ্রুত ক্লিনিকের ব্যায় মিটিয়ে শিশুটির মৃতদেহ কাপড় দিয়ে ঢেকে একটি বাক্সে প্যাকেট করে বাড়ী নিয়ে যায় তার পরিবার। এরপর তাদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি।
ক্লিনিক মালিক মতিয়ার রহমান আরো জানান, ৫ মাস আগে ওই গৃহবধু প্রথমবার আল্ট্রাসনোগ্রাম করাতে আসেন। আল্ট্রাসনোগ্রাম শেষে তাকে জানানো হয় তার পেটে যে শিশুটি বড় হচ্ছে তা অস্বাভাবিক আকৃতির। আরো অধিক পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য তাদের রংপুর বিভাগীয় শহরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। এরপর অন্ত:সত্তা গৃহবধুর গর্ভধারনের বয়স ৮ মাস হলে তারা ফের এসে আল্ট্রাসনোগ্রাম করান। সেদিনও তাদের একই রিপোর্ট দেয়া হয়। সর্বশেষ সোমবার বিকেলে তারা এসে প্রথমে অল্ট্রাসনোগ্রাম করে একই অবস্থা দেখতে পেয়ে সিজারিয়ান অপারেশন করান। জন্ম নেয় অস্বাভাবিক আকৃতির কন্যা শিশু। এ বিষয়ে শিশুটির পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।
ডা: জান্নাতুল ফেরদৌসি রুমার নাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কল্যান কর্মকর্তা ডা: সুজন সাহা বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশুটির ছবি দেখেছি। তবে বিস্তারিত জানি না।