রংপুরে যৌথ অভিযানে জুস, ড্রিংক ভেজাল খবার জব্দ ও জরমিানা
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রংপুরে জেলা প্রশাসন, ভোক্তা অধকিার ও নিরাপদ খাদ্য অধদিপ্তররে যৌথ অভিযানে জুস, ড্রিংক ভেজাল খবার জব্দ ও জরমিানা করছেে ২টি ব্যবসাযী প্রতিষ্ঠানকে ভ্রাম্যমান আদালত। আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে বাজারে ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্যদ্রব্য বিক্রি ঠেকাতে রংপুরে জোরদার করা হয়েছে নজরদারি ও অভিযান। জেলা প্রশাসনসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয়ে পরিচালিত যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ক্ষতিকর খাদ্যপণ্য জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। একইসঙ্গে অনিয়মের দায়ে ২ টি প্রতিষ্ঠানকে ১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা, মালামাল জব্দরে পরে নষ্ট করাসহ গুদাম সিলগালা করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে রংপুর নগরীর কুঠিরপাড়া এলাকায় রংপুর জেলা প্রশাসন, নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তর, জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর ও এনএসআইয়ের সমন্বয়ে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার তমাল আজাদ। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুঠিরপাড়া এলাকার দানেশ ট্রেডার্স নামের একটি গোডাউনে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সেখান থেকে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর বিপুল পরিমাণ অত্যন্ত নিম্নমানের ফলের জুস ও কোমল পানীয় জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সেগুলো ধ্বংস করা হয়।
এছাড়া অনিয়মের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং গুদামটি সিলগালা করা হয়। জব্দ করা পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় চার লাখ টাকা বলে জানান তিনি।
অভিযান চলাকালে একই এলাকায় ‘আঙ্গুর’ নামে এক পরিবেশকের কাছে মজুদ পণ্যের হিসাবের সঙ্গে গরমিল পাওয়া যায়। এ কারণে তাকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর রংপুরের উপ-পরিচালক মোস্তাফিজার রহমান বলেন, রমজান শুরু হওয়ার পর থেকেই ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্যদ্রব্য বিক্রি বন্ধে জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হ”েছ। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জা