২৫ ফাল্গুন, ১৪৩২ - ১০ মার্চ, ২০২৬ - 10 March, 2026

কুড়িগ্রামে মানা হচ্ছে না সরকারের  বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নীতিমালা

7 hours ago
12


কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

সরকার বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে সরকারি দপ্তর এবং বাসাবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যে ১২ নির্দেশনা জারি করছে তা মানা হচ্ছে না কুড়িগ্রামে। খোদ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে করিডরসহ বিভিন্ন রুমে অপ্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক বাতি, ফ্যান এবং এসি চলতে দেখা গেছে। সোমবার  বিকেল পনে তিনটা থেকে সোয়া চারটা পর্যন্ত কুড়িগ্রাম ডিসি অফিস, জেলা হিসাবরক্ষণ অফিস, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, জেনারেল হাসপাতাল, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়, সোনালী ব্যাংক, জেলা এলজিইডি অফিস, জেলা শিক্ষা অফিস, জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অফিস, জেলা মৎস্য অফিস ঘুরে একই চিত্র দেখা যায়।

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে করিডরে মানুষ বা সেবা গ্রহীতা না থাকলেও বিকাল সাড়ে তিনটায় গিয়ে দেখা যায় সবগুলো টিউব লাইট, ফ্যান চলছে। শুধ তাই  নয় রাতের অন্ধকার কাটানোর জন্য ভবনের বাইরের লাইট গুলোও ছিলো জ্বালানো। সিভিলসার্জন অফিস রুমের এসি চলছে।  বারান্দায় ও করিডরে জ্বলছিলো অপ্রয়োজনীয় লাইট।  হাসপাতালের পুরাতন ভবন এবং আট তলা নতুন ভবন সর্বত্রই একই অবস্থা।

দিনের ঝলমলে রোদ্দুর্র থাকবার পরও জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নীচতলার রিসিপশনে জ্বলছিলো সব লাইট ও ফ্যান।

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ নুর নেওয়াজ আহমেদ অভিযোগের প্রেক্ষিতে বলেন, "হয়তো সেবা গ্রহীতারা চলে যাওয়ার সময় লাইট ফ্যান বন্ধ করেননি। অপ্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক বাতি ও ফ্যান বন্ধ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা এখনই নিচ্ছি। "

জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ কে ফোন করলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক)  বি এম কুদরত এ খুদা রিসিভ করে বলেন," বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি ১২ দফা নির্দেশনা প্রতিপালনে সকল দপ্তর কে বলা হয়েছে। সরকারি দপ্তর এবং বেসরকারি ও ব্যাক্তি পর্যায়ে কেউ এই নির্দেশনা অমান্য করলে মোবাইল কোর্টের আওতায় শাস্তির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। "

খোদ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ নির্দেশনা মানা হচ্ছে না কেন জানতে চাইলে বলেন, "বিষয়টি দেখছি "।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়

// Set maxWidth